রায়গঞ্জ

মৃত ভোটকর্মী রাজকুমার রায়ের পরিবারকে ১০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দিল নির্বাচন কমিশন

প্রয়াত ভোটকর্মী রাজকুমার রায়ের পরিবারের হাতে ক্ষতিপূরণের টাকা তুলে দিলেন উত্তর দিনাজপুরের জেলা শাসক অরবিন্দ কুমার মিনা।

বিজেপি, তৃণমূল কেউ অপরাজেয় নয়, অনাচারী সরকারকে উৎখাত করবে মানুষ– বিমান ও সেলিম

Bengal Live রায়গঞ্জঃ মৃত ভোটকর্মী রাজকুমার রায়ের পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হলো ক্ষতিপূরণের টাকা। বৃহস্পতিবার রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দেওয়া ক্ষতিপূরণ বাবদ ১০ লক্ষ টাকার চেক রাজকুমার রায়ের স্ত্রী অর্পিতা রায়ের হাতে তুলে দিলেন জেলা শাসক অরবিন্দ কুমার মিনা। প্রসঙ্গত, প্রিসাইডিং অফিসার রাজকুমার রায়ের মৃত্যুর পরেই রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে চাকরি ও ক্ষতিপূরণ বাবদ পাঁচ লক্ষ টাকা তুলে দেওয়া হয়েছিল।

২০১৮ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে ইটাহার ব্লকের একটি বুথে প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে কাজ করেছিলেন রহতপুর হাই মাদ্রাসার শিক্ষক রাজকুমার রায়। ভোট চলাকালীন বুথ থেকে নিখোঁজ হয়ে যান তিনি। পরদিন সকালে রায়গঞ্জ থানার বামুনগাঁ এলাকায় রেললাইনের ধারে রাজকুমার রায়ের ক্ষতবিক্ষত মৃতদেহ উদ্ধার হয়। এই ঘটনার পর রাজ্যজুড়ে আন্দোলন শুরু করেন ভোট কর্মীরা।

ব্যাঙ্ক একাউন্টের সাথে আধার লিঙ্কের অন্তিম তারিখ ঘোষণা অর্থমন্ত্রীর

জেলাশাসক অরবিন্দ কুমার মিনা জানিয়েছেন, মৃত ভোটকর্মী রাজকুমার রায়ের স্ত্রী অর্পিতা রায়কে দুর্ঘটনার দুমাসের মধ্যেই সরকারি চাকুরি দেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর তহবিল থেকে ৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার পর আজ রাজ্য নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ১০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণের চেক তুলে দেওয়া হল। মৃত ভোটকর্মী রাজকুমার রায়ের স্ত্রী অর্পিতা রায় উত্তর দিনাজপুর জেলাশাসক তথা রাজ্য সরকারের এই উদ্যোগে খুশী এবং ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

দীর্ঘ লড়াই আন্দোলনের জেরে রাজকুমার রায়ের পরিবার রাজ্য নির্বাচন কমিশনের আর্থিক ক্ষতিপূরণ বাবদ ১০ লক্ষ টাকা পেয়েছেন বলে দাবি করেছে রাজকুমার রায় হত্যা বিচার মঞ্চ। মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ভট্টাচার্য দাবি, নির্বাচনের কাজে যুক্ত ভোটকর্মী খুন হলে নির্বাচন কমিশনের মৃতের পরিবারকে ২০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা। এব্যাপারে আমরা হাইকোর্টে মামলাও করেছি। আমরা বাকি ১০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাব।

অভিযান চালিয়েও কমছে না দাম, রায়গঞ্জে কম দামে আলু দিচ্ছে ব্যবসায়ী সংগঠন

Related News

Leave a Reply

Back to top button