রায়গঞ্জ

স্বাধীনতার সাত দশক পরেও বেহাল রাস্তা, মুমূর্ষুকে হাসপাতাল পৌঁছতে মানুষের কাঁধই ভরসা

স্বাধীনতার সাত দশক পরেও বেহাল রাস্তা, মুমূর্ষুকে হাসপাতাল পৌঁছতে মানুষের কাঁধই ভরসা

Bengal Live ইটাহারঃ স্বধীনতার সাত দশক পরেও রাস্তা পেল না জামালপুর। ফলে জলকাদা মারিয়েই যাতায়াত করতে হচ্ছে গ্রামবাসীদের। দুর্ভোগের অন্ত নেই। স্থানীয় পঞ্চায়েত ও জেলা পরিষদ সদস্য থেকে শুরু করে সমস্ত জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনকে বারবার জানানো সত্ত্বেও মৌখিক আশ্বাস ছাড়া কিছুই মেলেনি। প্রতি বছর বর্ষায় গ্রামের হাজার পাঁচেক মানুষের এই ভোগান্তি দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। ক্ষোভে ফুঁসছেন এলাকার মানুষ। গতকালই চলাচলের কর্দমাক্ত রাস্তায় ধান চারা রোপণ করে প্রতিবাদ জানিয়েছেন গ্রামবাসীরা। কিন্তু রাস্তার হাল ফেরাতে সংশ্লিষ্ট কোনও মহলেরই হেলদোল দেখা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ জামালপুরবাসীর।

ইটাহার ব্লকের কাপাসিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের জামালপুর গ্রামে দুটি বুথ। প্রায় হাজার পাঁচেক মানুষের বাস এই গ্রামে। শিশুশিক্ষা কেন্দ্র, প্রাথমিক বিদ্যালয়, অঙ্গনওয়ারি কেন্দ্র রয়েছে। কিন্তু সেসব প্রতিষ্ঠানে শিশুদের যাতায়াতের রাস্তার হাল এতটাই খারাপ যে তারা সেই রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে পারে না। ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা বলছেন, নামে রাস্তা, কিন্তু বর্ষার হালচষা জমির থেকেও খারাপ অবস্থা এর। চলাচলের একেবারেই অযোগ্য।

স্থানীয় বাসিন্দা শাহান শাহ আলম সক্রিয় তৃণমূল কর্মী। তিনি বলেন, ছোট থেকেই এই রাস্তার হাল এরকম দেখে আসছি। বাম আমলে আমাদের গ্রামের রাস্তাঘাটের কোনও উন্নয়ন হয়নি। এখন তো সব স্তরেই আমাদের সরকার। তবু বারবার দরবার করেও কোনও কাজ হচ্ছে না। এত বছর হয়ে গেল, তবু গ্রামের এই রাস্তাটি ইট সোলিং বা পাকা করা হল না।

অপর এক গ্রামবাসী বলেন, “এখন তো পঞ্চায়েত থেকে সব গ্রামের রাস্তাই কংক্রিট ঢালাই করে দেওয়া হচ্ছে। তাহলে আমাদের এই রাস্তাটি ঢালাই হবে না কেন ? বেহাল রাস্তার জন্য গ্রামে কোনও গাড়ি, মাতৃযান বা অ্যাম্বুলেন্স ঢোকে না। হঠাৎ কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে ঝুড়ি কিংবা ভাড়ে চাপিয়ে হাসপাতাল বা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যেতে হয়। আর কতদিন আমরা এসব সহ্য করব ? “

Tags

Leave a Reply

Back to top button