রায়গঞ্জ

বিজেপি কর্মী অনুপ রায় মৃত্যু মামলায় নয়া মোড়

Join our WhatsApp group

রাজ্য গোয়েন্দার উপর ঘটনার তদন্তভার গেলেও খুশি নন অনুপ কুমার রায়ের মা গীতা রায়। সিবিআই তদন্তের দাবিতেই অনড় তিনি।

ADVERTISEMENT

Bengal Live রায়গঞ্জঃ ইটাহারের বিজেপি কর্মী অনুপ কুমার রায়ের রহস্য মৃত্যুর ঘটনার তদন্তভার গেল সিআইডির উপর। শুক্রবার রায়গঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার সুমিত কুমার জানান, সিআইডি এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। গত সোমবার থেকেই জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে তৎপরতার সাথে ঘটনার নথিপত্র তৈরি করার কাজ শুরু করা হয়। ইটাহার থানার তদন্তকারী অফিসারকেও তলব করেছিলেন পুলিশ সুপার। যে পাঁচ পুলিশ কর্মীর নামে মৃতের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ জানানো হয়েছে, তাঁদের সাথেও কথা বলেন পুলিশ সুপার। এরপর শুক্রবার এই মামলার তদন্তভার তুলে দেওয়া হয় সিআইডির হাতে। মূলত পাঁচ পুলিশ কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠার কারণেই নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে মামলার তদন্তভার সিআইডিকে দেওয়া হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

বিজেপি কর্মীর মৃত্যুতে রায়গঞ্জের পাঁচ পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু

গত ২ সেপ্টেম্বর ইটাহার থানার নন্দনগ্রামের বাসিন্দা অনুপ কুমার রায়কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রায়গঞ্জ থানায় তুলে নিয়ে আসে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদ চলাকালীনই আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়ে অনুপ। রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে৷ এই ঘটনা জানাজানি হতেই পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন অনুপ রায়ের পরিজনেরা। উত্তপ্ত হয় রাজনৈতিক পরিবেশ। মৃত যুবকের মা গীতা রায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে রায়গঞ্জ থানার পাঁচ পুলিশ অফিসারের নামে খুন ও অপহরণের মামলা রুজু করে ইটাহার থানার পুলিশ৷ এদিকে বিজেপি করার জন্যই অনুপ রায়কে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে আন্দোলনে নামে বিজেপি। পথ অবরোধ, থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ আন্দোলন শুরু করে বিজেপি। অভিযোগকে অস্বীকার করে পুলিশের দাবি, ঘুঘুডাঙা এলাকায় ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের উপর এক ডাকাতির ঘটনায় অনুপের নাম উঠে আসায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আনা হয়েছিল।

ফের ময়না তদন্ত মৃত অনুপের দেহে, কৌতুহলী মানুষের ভিড় রায়গঞ্জ মেডিক্যালে

এদিকে মামলার তদন্ত ভার রাজ্য গোয়েন্দার হাতে গেলেও খুশি নন অনুপের মা গীতা দেবী। তিনি বলেন, পুলিশ খুন করেছে তার ছেলেকে। তাই পুলিশ এই ঘটনার তদন্ত করলে সঠিক তথ্য উঠে আসবে না। সিবিআই তদন্তের দাবিতে অনড় রয়েছেন গীতা রায়।

Related News

Leave a Reply

Back to top button