রাজ্য

ছেড়ে গিয়েছে বাবা-মা, প্রতিবন্ধী নাতনির একমাত্র ভরসা সত্তোরোর্ধ ঠাকুমা

ছোটবেলাতেই শারীরিক, বাক ও বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী মেয়েকে ছেড়ে চলে গিয়েছে বাবা-মা, মেলেনা সরকারি সাহায্য। ডলির সহায় বলতে কেবল বৃদ্ধা ঠাকুমা ।নাতনিকে নিয়ে ভিক্ষা করেই জীবন যাপন অশীতিপর বৃদ্ধার।

Bengal Live  বালুরঘাটঃ মা–বাবার কাছে মেলেনি আশ্রয় ,সত্তোরোর্ধ দরিদ্র ঠাকুমাই ভরসা বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ডলি মালির । শারীরিক, বাক ও বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী নাতনিকে নিয়ে ভিক্ষা করে জীবন যাপন করেন ওই বৃদ্ধা।জন্ম থেকেই প্রতিবন্ধী বছর ষোলোর এই কিশোরী । কিন্তু তাকে দেখলে ৫-৬ বছরের শিশু বলেই মনে হবে। এমনই এক বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুকে ফেলে ছোটবেলাতেই কোথাও চলে গিয়েছেন মা যমুনা। বাবা গৌড়ও ফের বিয়ে করে অন্যত্র সংসার পেতেছেন। ফলে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন অনাথ নাতনীকে সঙ্গী করে নিয়েছেন ঠাকুমা সুমতি মালি।

এদিকে বালুরঘাটের ভাটপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ভুসিলা গ্রামের বাসিন্দা সত্তোরোর্ধ সুমতি মালির চার ছেলে মেয়ের কেউই রাখে না তাঁর খোঁজ। ফলে নাতনীকে নিয়ে জীবনযাপনের একমাত্র পথ ভিক্ষাবৃত্তি। দীর্ঘদিন ধরে কোমরের ব্যথা নিয়েই প্রতিবন্ধী নাতনীকে হুইল চেয়ারে বসিয়েই সারা দিন ভিক্ষা করে আহার জোগাড় করেন তিনি।

ইসলামপুর শহরকে যানজট মুক্ত করতে পুলিশ ও পৌর প্রশাসনের যৌথ অভিযান

বৃদ্ধা সুমতি মালি জানান, তাঁর নাতনী ডলি জন্ম থেকেই প্রতিবন্ধী। সে চলাফেরা ও কথা বলতে পারে না। ষোলো বছর বয়স হলেও বুদ্ধি নেই তার। নাতনীকে নিয়েই ভিক্ষা করে যা পান, তা দিয়েই চলে সংসার। বৃদ্ধার নাতনির নামে প্রতিবন্ধী ভাতার ব্যবস্থা থাকলেও তার মা সেই কার্ড নিয়ে পালিয়েছে। ফলে ওই ভাতার টাকাও জোটে না তাদের। সেই ভাতার টাকা যাতে তারা পান এবং নাতনির সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করে দেওয়ার কাতর আর্জি জানিয়েছেন ওই বৃদ্ধা। তিনি আরও বলেন, “আমার নিজেরও শরীর ভালো না। সেই যেবারে ভারত-পাকিস্তান ভাগ হয়েছিল(অর্থাৎ স্বাধিনতার সময়) তার আগের বছর আমার জন্ম হয়েছিল। তাই আর কতদিন বাঁচব জানিনা। তবে এই নাতনিকে রেখে মরতেও ভয় হয়, ওকে কে দেখবে? “

মিটবে ডার্কসার্কল ও অ্যাকনে সহ ত্বকের অন্যান্য সমস্যা, জানুন পুদিনার ভেষজ গুণ!

 

Related News

Leave a Reply

Back to top button