রাজ্য

কোচবিহারে কোন্দল অব্যাহত, বিক্ষুব্ধ বিধায়কের বিরুদ্ধে চড়া সুর তৃণমূল নেতার

কয়েক মাস বাদেই পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা ভোট। অথচ তার আগে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব কমার কোনও লক্ষণ নেই৷ সাংবাদিক বৈঠকে দলীয় বিধায়কের বিরুদ্ধে চড়া সুর তৃণমূল নেতার।

Bengal Live কোচবিহারঃ জেলা সভাপতিকে পাশে বসিয়ে বিক্ষুব্ধ বিধায়ক মিহির গোস্বামীর বিরুদ্ধে সুর চড়ালেন তৃণমূল কংগ্রেস নেতা। বিধায়ককে তাঁর পদ ছাড়ার দাবি জানালেন দলেরই কোচবিহার জেলা সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিল আহমেদ। তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে এতদিন বিধায়ক ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এদিনই প্রথম দলের পক্ষ থেকে বিধায়কের বিরুদ্ধে সুর চড়াতে শোনা গেল।

কোচবিহার তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা পার্টি অফিসে এদিন আবদুল জলিল আহমেদ বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে মানুষ হয়ে ও খেয়ে তাঁর বিরুদ্ধেই কথা বলা মানায় না। মিহির বাবু বিজেপিতে যাবেন কিনা জানি না। তবে নিশীথ প্রামাণিক তাঁর বাড়িতে যাওয়ার পর থেকে তিনি এখন নিজের দলে মুখ দেখাতে পারছেন না। জেলা সভাপতি পার্থপ্রতিম রায় এদিন মিহির গোস্বামী প্রসঙ্গে বলেন, আমরা দলের কাজ নিয়ে ব্যস্ত। কে কোথায় কী লিখেছে তা আমার জানা নেই। দল তার সাংগঠনিক কাজ চালিয়ে যাবে। কারোর জন্য কাজ থমকে থাকবে না।

তৃণমূল কংগ্রেসের কোচবিহারে বুথ কমিটির তালিকা প্রকাশের পর ক্ষোভ প্রকাশ করে সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যাহতি নেন কোচবিহার দক্ষিণ বিধানসভার বিধায়ক মিহির গোস্বামী। এমনকি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চাইলে তিনি বিধায়ক পদও ছেড়ে দিতে পারেন বলেও হুঁশিয়ারি দেন। তবে এবারে তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব মুখ খুলেছে বিধায়কের বিরুদ্ধে। এতেই অস্বস্তি আরও দ্বিগুন হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে। এমনিতেই বিধায়ক মিহির গোস্বামী দলের নেতৃত্বদের এড়িয়ে চলেছেন। এমনকি দলের সভাতেও তাঁর দেখা পাওয়া যাচ্ছে না। তাঁর শহরের ধর্মসভার দলীয় কার্যালয় থেকেও সরিয়ে নেওয়া হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের পতাকা ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি। এই অবস্থায় মিহির বাবু বিজেপিতে যোগ দেবেন কি না তা নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা।

Related News

Leave a Reply

Back to top button