রাজ্য

দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে গিয়ে হতবাক চা বাগানের ক্যান্সার আক্রান্ত আদিবাসী মাঙ্গরা ওঁরাও

দীর্ঘদিন থেকে চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু কাজ হয়নি। অবশেষ “দুয়ারে সরকার” ক্যাম্পে গিয়ে হতবাক চা বাগান এলাকার ক্যান্সার আক্রান্ত রোগী। কাজ হল ম্যাজিকের মতো।

 

Bengal Live জলপাইগুড়িঃ ক্যান্সার আক্রান্ত মুমূর্ষু রোগী সরকারি আধিকারিকের দুয়ারে দুয়ারে ঘুরেও সাহায্য পাচ্ছিলেন না। ছিল না স্বাস্থ্য সাথী কার্ড। ব্লক প্রশাসনের কাছে আবেদন জানিয়েও লাভ হয়নি। অবশেষে রাজ্য সরকারের “দুয়ারে সরকার” শিবিরে এসে উপকৃত হলেন কারবালা চা-বাগানের বাসিন্দা ক্যান্সার আক্রান্ত রোগী। হাতে পেলেন স্বাস্থ্য সাথী কার্ড।

শুক্রবার ধূপগুড়ি ব্লকের শালবাড়ি ১ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার দুরামারি চন্দ্রকান্ত উচ্চ বিদ্যালয়ে বসেছিল “দুয়ারে সরকার” প্রকল্পের শিবির। সেখানে উপস্থিত হন বানারহাট ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের কারবালা চা বাগানের ক্যান্টিন লাইনের বাসিন্দা মাঙ্গরা ওঁরাও। পরিবার সূত্রে জানা যায়, তিনি ক্যান্সারে আক্রান্ত। তাই চিকিৎসার জন্য বিশাল অঙ্কের অর্থের প্রয়োজন। কিন্তু পরিবারের আর্থিক অবস্থা খারাপ হওয়ায় চিকিৎসা কিভাবে করাবেন বুঝে উঠতে পারছিলেন না।

ঘরে ঢুকে পড়ল দশ চাকার ট্রাক, কপালজোরে বাঁচলেন দম্পতি

জানা গেছে, শনিবার চিকিৎসার জন্য বাইরে যাওয়ার কথা রোগীর। কিন্তু স্বাস্থ্য সাথীর কার্ড না থাকায় সমস্যায় পড়েছিলেন রোগীর পরিজনেরা। যোগাযোগ করা হয় ধূপগুড়ি সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিকের দপ্তরে। সেখান থেকেই “দুয়ারে সরকার” শিবিরের কথা জানতে পেরে সেখানে যাওয়ার পর শুক্রবার হাতে হাতেই স্বাস্থ্য সাথী কার্ড পেয়ে যান রোগী।

মাঙ্গরা গাড়িতে করে এসেছিলেন স্বাস্থ্য সাথী ক্যাম্পে। সেখানে পুত্রবধূ এবং ছেলের কাঁধে ভর দিয়ে ছবি তুলে হাতে হাতে কার্ড নিয়ে বাড়ি ফিরলেন তিনি। পরিষেবা পেয়ে খুশি পরিবারও।

পুত্রবধূ পুনি মুন্ডা জানান, ” উনি ক্যান্সারে আক্রান্ত। আর্থিক সমস্যা থাকায় চিকিৎসা কিভাবে করব বুঝে উঠতে পারছিলাম না। এর আগে বিডিও অফিসে গিয়েছিলাম। সেখান থেকে জেলাশাসকের দপ্তরে পাঠিয়েছিল। কিন্তু তাতেও সমস্যা সমাধান হয়নি। এরপর আজকে এখানে এসে এক দিনে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড হাতে পেলাম । আশা করছি এই কার্ড দিয়ে এবার আমরা চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে পারব।”

সন্তানের ওজন আর স্থুলতা চিন্তার কারণ ? সমাধানের পথ জেনে নিন

গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান দীপিকা ওঁরাও বলেন, দুয়ারে সরকার শিবিরের মধ্য দিয়ে বহু মানুষ উপকৃত হয়েছেন। এতদিন স্বাস্থ্য সাথী কার্ড, কাস্ট সার্টিফিকেট সংক্রান্ত সমস্যা নিয়ে যারা দীর্ঘদিন থেকে সমাধান পাননি, তারা কিন্তু এই শিবিরগুলোতে এসে তার সুরাহা পাচ্ছেন।

Related News

Leave a Reply

Back to top button