রাজ্য

ঘরওয়াপসির পর ফের জেলা পরিষদের নয় শূন্য পদে বহাল বিপ্লব মিত্রের অনুগামীরা

দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পরিষদের ছয়টি স্থায়ী সমিতির ন’টি শূন্য পদ পূরণ হলো আজ। এই নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের সম্ভাবনা থাকলেও, সর্বসম্মতিক্রমেই নির্বাচিত হয় স্থায়ী সমিতি গুলির সদস্য ।

বালুরঘাটঃ বিগত দু’বছর ধরে ফাঁকা থাকার পর পূরণ হলো দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পরিষদের ছয়টি স্থায়ী সমিতির ন’টি শূন্য পদ। বুধবার দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পরিষদে এই স্থায়ী কমিটি গুলির সদস্য নির্বাচনের জন্য ডাকা হয় বৈঠক।মোতায়েন ছিল বালুরঘাট থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। এদিন জেলা পরিষদের পূর্ত, কৃষি, মৎস্য, বন, শিক্ষা, ক্ষুদ্র কুটির স্থায়ী সমিতি গুলির ন’টি পদ শূন্যপদ পুরন করা হয়। এদিনের বৈঠককে ঘিরে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা সভাপতি গৌতম দাস ও বিপ্লব মিত্র অনুগামীদের মধ্যে বিরোধের সম্ভাবনা থাকলেও, শান্তিপ্রিয় ভাবে সর্বসম্মতিক্রমেই নির্বাচিত হয় স্থায়ী সমিতি গুলির সদস্য।

ট্রেনে কাটা পরে মৃত্যু বাবা ও ছেলের

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, উনিশের লোকসভা নির্বাচনের পর বিপ্লব মিত্র এর হাত ধরে সভাধিপতি সহ জেলা পরিষদের দশজন সদস্য বিজেপিতে যোগ দেন। যার জেরে ওই দশজনকে দল থেকে বহিষ্কার করেন তৎকালীন তৃণমূল জেলা সভাপতি অর্পিতা ঘোষ। এরপরই বিজেপিতে যোগ দেওয়া দশ জনের মধ্যে নয় জনই পুনরায় ফেরত আসেন তৃণমূলে। এদিকে বিধানসভা নির্বাচনের আগে আবার তৃণমূলে ফিরে এসে জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ারম্যান পদে বসেন বিপ্লব মিত্র। এদিন সর্বসম্মতিক্রমে পুনরায় স্থায়ী সমিতির সদস্য করা হয় বিপ্লব মিত্রের অনুগামীদের।

আজও রায়গঞ্জের দাস বাড়িতে গ্রামোফোন চলে, রেকর্ড বাজে

 

এবিষয়ে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের আধিকারিক গোবিন্দ দত্ত জানান, জেলা পরিষদের পূর্ত, কৃষি, মৎস্য, বন, শিক্ষা, ক্ষুদ্র কুটির স্থায়ী সমিতি গুলিতে দীর্ঘদিন নয়টি পদ শূন্য ছিল। এদিনের বৈঠকে তা পূরণ করা হয়েছে। অন্যদিকে জেলা চেয়ারম্যান বিপ্লব মিত্র এবং জেলা সভাপতি গৌতম দাসকে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তারা দুজনেই বিষয়টি অস্বীকার করেন। দুজনেই জানান, একই পরিবারে থাকতে গেলে ছোটখাটো মতবিরোধ হতেই পারে, তার কোনো প্রভাব দলে পড়েনি।

বাবার অত্যাচারের ভয়ে আত্মঘাতী হল এক স্কুলছাত্রী

Related News

Leave a Reply

Back to top button