রাজ্য

হাতি নালার জলোচ্ছ্বাসে ভেঙে পড়লো লালপুল সেতু, ডুয়ার্সে বিঘ্নিত যোগাযোগ ব্যবস্থা

ভুটান পাহাড় ও ডুয়ার্সে মঙ্গলবার অতিভারি বৃষ্টির জেরে হাতি নালার জলোচ্ছ্বাসে ভেঙে পড়লো ডুয়ার্সের লালপুল সেতু। বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে গয়েরকাটা-হলদিবাড়ি থেকে বিন্নাগুড়ির যোগাযোগ ব্যবস্থা।

Bengal Live আলিপুরদুয়ারঃ  অতিভারি বৃষ্টির জেরে ভেঙে পড়লো লালপুল সেতু। মঙ্গলবার রাতে ভুটান পাহাড় ও ডুয়ার্সে লাগাতার বৃষ্টিতে জলোচ্ছ্বাসের সৃষ্টি হয় হাতি নালায় । যার ফলে ভেঙে পড়ে গয়েরকাটা- হলদিবাড়ি থেকে বিন্নাগুড়ির মধ্যে যোগাযোগের জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ লালপুল সেতু।

ডুয়ার্সে বৃষ্টির পরিমাণ কম হলেও ভুটান পাহাড়ে গতকাল রাতে অতিভারি বৃষ্টি হয়। সেই জল প্রবল বেগে নেমে আসে হাতি নালায়। এই জলের স্রোত এতটাই ছিলো যে রাজ্য সড়কের ওপর দিয়ে বইতে থাকে হাতি নালার জল। এমনকি পাঁচটি চা –বাগানও চলে গেছে জলের নীচে । জলের তোড়ে ভেঙ্গে পড়ে বানারহাট ব্লকের গয়েরকাটা- হলদিবাড়ি থেকে বিন্নাগুড়িগামী জাতীয় সড়কের ওপর লাল পুল সেতু।

সিসিইউ বেড বাড়াতে রাজ্যের কাছে আবেদন জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের

প্রতিদিন ওই পুল পার করে সাইকেল ও মোটর বাইকে করে সেনা ছাউনিতে কাজে যোগ দিতে যান বহু শ্রমিক। ফলে চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়েছে তাঁদের । লাল পুল ভেঙ্গে পড়ায় যাতায়াতের স্বার্থে একপ্রকার বাধ্য হয়েই তাঁদের হাতি নালার ওপর দিয়েই কাজে যেতে হচ্ছে। মোরাঘাট হয়ে ঘুরপথে যাতায়াত করছে গাড়ি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বানারহাট ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকা প্রতিবছর বৃষ্টিতে হাতি নালার জলে ক্ষতিগ্রস্থ হয়। এখনও ভারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টি হওয়ায় সম্ভাবনা রয়েছে ডুয়ার্সে। বৃষ্টি বাড়লে দুর্ভোগ আরও বারবে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসীরা।

জানা গেছে, এদিন দুপুর পর্যন্ত পরিস্থিতি পরিদর্শনে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কোনো আধিকারিক ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছননি । দুর্ঘটনা এড়াতে আপাতত বানারহাট ট্রাফিক গার্ড ও বিন্নাগুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের তরফে রাস্তার দুইদিক ব্যারিকেট দিয়ে আটকে দেওয়া হয়েছে ।

১০৯ জনের বিশেষ দল নিয়ে ভোট পরবর্তী হিংসার তদন্তে নামলো সিবিআই

পরবর্তীতে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জন বার্লা এবং তৃণমূল নেত্রী তথা ধূপগুড়ি পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য সীমা চৌধুরী। ভেঙ্গে পড়া সেতু পরিদর্শন করে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী জন বার্লা সেতু নির্মাণে দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন। পাশাপাশি তিনি পুলটি কেন এত তাড়াতাড়ি ভেঙ্গে পড়লো সেই বিষয়ে তদন্তের দাবিও জানিয়েছেন। অন্যদিকে জন বার্লাকে পাল্টা আক্রমণ করে সীমা চৌধুরী বলেন, জন বার্লা নিজেই সবথেকে বড় দুর্নীতিগ্রস্থ, তাই ওনার মুখে দুর্নীতির কথা মানায় না। এইসব রাজনৈতিক কাদা ছোঁড়াছুঁড়িতে বিরক্ত স্থানীয়রা , তাঁরা চাইছেন এসব বন্ধ হয়ে দ্রুত এই পুল পুনঃ নির্মাণ করা হোক।

Related News

Leave a Reply

Back to top button