রাজ্য

তৃণমূলে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব? জেলা সভাপতির বৈঠকে ফাঁকা পড়ে রইলো অর্ধেকের বেশী আসন

গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের আভাস দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা তৃণমূল কংগ্রেসে। তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতির ডাকা পর পর তিনটি বৈঠকে জেলা পরিষদের সদস্যরা অনুপস্থিত। অনুপস্থিত সদস্যদের মধ্যে অনেকেই দলের জেলা চেয়ারম্যানের ঘনিষ্ঠ বলে জানা গেছে।

Bengal Live  বালুরঘাটঃ ফের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ইঙ্গিত । দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতির ডাকা সমন্বয় কমিটির তিনটি বৈঠকে অনুপস্থিত রইল জেলা পরিষদের অর্ধেকের বেশি সদস্য। রাজ্য তৃণমূলের নির্দেশে জেলা পরিষদের স্থায়ী কমিটি নিয়ে পর পর ডাকা তিনটি বৈঠকে জেলা পরিষদের সদস্যরা অনুপস্থিত থাকায় বিষয়টি বাধ্য হয়েই রাজ্য কমিটিকে জানিয়েছে জেলা সভাপতি গৌতম দাস। অনুপস্থিত সদস্যদের মধ্যে অনেকেই দলের চেয়ারম্যানের ঘনিষ্ঠ বলে জানা গেছে ।

সেরার শিরোপা এবার উত্তরে, কন্যাশ্রী প্রকল্পে প্রথম আলিপুরদুয়ার

এদিন বালুরঘাট শহরের জেলা তৃণমূল কার্যালয়ে দলের জেলা সভাপতি গৌতম দাস তাঁর দলের কয়েকজন কর্মী ও জেলা পরিষদের কিছু সংখ্যক সদস্যকে নিয়ে স্থায়ী কমিটি গঠন বিষয়ক একটি বৈঠক করেন। অন্যদিকে, একই সময়ে দলের চেয়ারম্যান তথা রাজ্য সরকারের কৃষি বিপনন দফতরের মন্ত্রী বিপ্লব মিত্র জেলা পরিষদ ভবনের সভাধিপতির ঘরে সভাধিপতি সহ অনান্য জেলা পরিষদের সদস্যদের নিয়ে বৈঠকে বসেন। জানা গেছে, নির্বাচিত মন্ত্রী হয়ে জেলার থমকে থাকা উন্নয়নের কাজ ও সদস্যদের সঙ্গে আলাপ পরিচয় করাই ছিল এই বৈঠকের বিষয়।

উদ্ধার বিপুল পরিমাণ নেশার ওষুধ , গ্রেপ্তার দুই

একই সময়ে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের দু’ধরনের বৈঠকের খবর আবারও উস্কে দিচ্ছে দলের আভ্যন্তরীণ গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের বিষয়টিকে। যদিও দলের চেয়ারম্যান বিপ্লব মিত্র জানিয়েছেন, তিনি কলকাতা থেকে গতকাল রাতে বাড়ি ফিরেছেন। অন্য কোন বৈঠক আছে বলে তার জানা ছিল না, জেলা সভাপতির ডাকা বৈঠকের কথা কেউ তাকে জানায়নি। পাশাপাশি তিনি গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের বিষয়টিকে উড়িয়ে দিয়ে একসাথে সবাইকে নিয়ে চলার কথা বলেন।

ছকে বাঁধা জীবনে বানিয়ে ফেলুন যোগ ব্যায়ামের রুটিন। জেনে নিন কোনটা কখন করবেন আর কোনটা করবেন না

অন্যদিকে জেলা তৃণমূল কার্যালয়ের অসম্পূর্ণ বৈঠক শেষে জেলা সভাপতি গৌতম দাস জানান, তিনি যা করেছেন তা দলের নির্দেশ মেনেই করেছেন । পুরো ঘটনাটি তিনি রাজ্য কমিটিকে ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন। আজকের বৈঠকের কথা দলের চেয়ারম্যানকে আগেই জানানো হয়েছিল এবং তার যাবতীয় রেকর্ড রয়েছে তাঁর কাছে। প্রয়োজনে তিনি রাজ্য কমিটির কাছে তাও জমা দেবেন। একইসাথে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের বিষয়টিকে এড়িয়ে গিয়ে জেলা সভাপতি জানান, তিনি এই নিয়ে কোন মন্তব্য করতে রাজি নন, এই বিষয়ে যা জানানোর তিনি রাজ্য কমিটিকে তা জানিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি এও বলেন, জেলায় সবাই মিলে চলাটাই একান্ত কাম্য। দল সবার আগে। এখানে ব্যক্তির কোন স্থান নেই। তাই সবাই মিলেই দলকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে স্থির থাকতে হবে।

Related News

Leave a Reply

Back to top button