রাজ্য

টোটো চালিয়েই দেশের উপরাষ্ট্রপতির নজরে উদাহরণ হয়ে উঠলেন শিলিগুড়ির মুনমুন

Join our WhatsApp group

শুধু ফোনের অপেক্ষা। রিংটোন বেজে উঠলেই শহরের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছুটে গিয়েছেন তিনি। করোনার আতঙ্ককে দূরে ঠেলে আক্রান্তদের নিয়ে পৌঁছেছেন হাসপাতাল, নার্সিংহোমে।

ADVERTISEMENT

Bengal Live শিলিগুড়িঃ করোনা কালে মানুষ যখন ঘরবন্দী, তখন মারণ ভাইরাসের আতঙ্ককে উপেক্ষা করে আক্রান্ত রোগীদের নিয়ে ছুটে বেড়িয়েছেন শহরের এক কোণ থেকে অন্য কোণায়। তারই ফলস্বরূপ মিলল অভাবনীয় স্বীকৃতি। শহরের প্রথম মহিলা টোটো চালকের কাজে খুশি দেশের উপরাষ্ট্রপতি। মুনমুনের প্রশংসা করে ট্যুইট করলেন ভেঙ্কাইয়া নায়ডু। আপ্লুত সমাজসেবী তথা শিলিগুড়ির প্রথম মহিলা টোটো চালক মুনমুন সরকার। আগামীতে আরও ভালো কাজ ও মানুষের পাশে থাকার বার্তা তাঁর।

এ উৎসব পৃথিবীর আর কোথাও হয় না, ওমচু পূজায় মেতেছে আদিম জনজাতি

লকডাউন উঠলেও করোনা সংক্রমণ প্রায় প্রতিদিনই বেড়ে চলেছে। রবিবারের রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের করোনা বুলেটিন অনুযায়ী দার্জিলিং জেলায় এখনও পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত হয়েছেন, ৬২৩০জন। সুস্থ হয়েছেন ৫৪৪৬ জন। মৃত্যু হয়েছে ৯২ জনের। এমন কঠিন পরিস্থিতিতে শিলিগুড়ির মুনমুন সরকার দিলেন সাহসিকতার পরিচয়৷ উপ রাষ্ট্রপতির কথায়, “উদাহরণ সৃষ্টি করেছেন তিনি”। যখনই ফোন বেজেছে, নির্দিষ্ট ঠিকানায় পৌঁছে গিয়েছেন তিনি। বিনে পয়সায় টোটোতে চাপিয়ে আক্রান্ত রোগীদের নিয়ে ছুট লাগিয়েছেন কখনও হাসপাতালে, কখনও নার্সিংহোমে। করোনা আতঙ্ককে তোয়াক্কা না করেই সকাল থেকে রাত পর্যন্ত রোজ এই পরিষেবা দিয়েছেন মহিলা টোটোচালক মুনমুন সরকার।

তাঁর এই খবর দেশের উপ রাষ্ট্রপতির কানে যেতেই ট্যুইট করে মুনমুনের প্রশংসা করলেন ভেঙ্কাইয়া নায়ডু। “উদাহরণ সৃষ্টি করেছেন মুনমুন” বলে টুইটে লিখেছেন উপ রাষ্ট্রপতি। এই প্রশংসা আরও বেশি করে মানুষের কাজে নিয়োজিত হতে সাহায্য করবে বলে জানিয়েছেন আপ্লুত মুনমুন সরকার।

বাঁশি আর সেই সুরে বাজে না, উত্তর বাংলার শিল্পীর চোখে জল

Related News

Leave a Reply

Back to top button