বিনোদনরায়গঞ্জ

অলির গানে মুগ্ধ, দেখা করার ইচ্ছা প্রকাশ বলিউড সঙ্গীত পরিচালক শেখর রবজিয়ানির

অলির গানে মুগ্ধ, দেখা করার ইচ্ছা প্রকাশ বলিউড সঙ্গীত পরিচালক শেখর রবজিয়ানির।

Bengal Live রায়গঞ্জঃ অলির গানের জাদুতে মুগ্ধ প্রখ্যাত বলিউডি সঙ্গীত পরিচালক শেখর রবজিয়ানি। নিজের ইনস্টাগ্রামে অলির গানের ভিডিও পোস্ট করে রবজিয়ানি লিখেছেন — “কে এই শিশু ? দয়া করে কেউ আমাকে তার সম্পর্কে বিস্তারিত জানান। আমি ওর সঙ্গে দেখা করব। ওকে আমি জড়িয়ে ধরতে চাই।”

ছোট্ট অলির দুষ্টুমিষ্টি অঙ্গভঙ্গি আর অরিজিতের কঠিন সুরের ভাঁজ ভেঙেচুরে অবলীলায় গেয়ে যাওয়া গানের ভিডিও নিয়ে তোলপাড় সোশ্যাল মিডিয়া। গত কয়েক দিনে ঝড়ের গতিতে ভাইরাল হয়েছে তার গানের ভিডিও। সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে অলির গানে মেতেছে তামাম নেট দুনিয়া। ইতিমধ্যেই এক কোটিরও বেশি মানুষ দেখে ফেলেছেন ভিডিওটি। ফেসবুক, ট্যুইটার, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ সহ বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় লক্ষ লক্ষ শেয়ার হয়েছে ওই গানের ভিডিও।

উচ্চ প্রশংসা আর স্নেহের তুফান তুলে রোজ অলির জন্য হাজার হাজার কমেন্ট ঝরে পড়ছে সোশ্যাল মিডিয়ার আকাশে। অবাক বিস্ময়ে সকলের প্রশ্ন — মাত্র চার বছরের অলি কী করে অবলীলায় গেয়ে দিল বিশাল শেখরের কম্পোজিশনে অরিজিৎ সিংয়ের গাওয়া “জো ভেজি থি দুয়া”-র মতো একটি কঠিন সুরের গান ? অলি কি সরস্বতীর মানসকন্যা ! উত্তর যা-ই হোক, গানের তরীতে চেপে লাখো মানুষের প্রশংসায় ভেসে যাওয়া রায়গঞ্জের তিরতিরে অলি এখন রীতিমতো সেলিব্রিটি। লিটল স্টার।

View this post on Instagram

Who is this child? Pls send me her details. I just wanna meet her and give her a big hug! Touched my heart. 🤗 #Dua

A post shared by Shekhar Ravjianii (@shekharravjiani) on

কে এই অলি ? অলি আর কেউ নয়, এই বাংলারই পিছিয়ে পড়া জেলা উত্তর দিনাজপুরের ছোট্ট শহর রায়গঞ্জের তুলসীপাড়ায় অতি সাধারণ ঘরে জন্ম নেওয়া এক শিশু। বাবা শোভন কুণ্ডু পেশায় ব্যবসায়ী। মা আলভা শখের সঙ্গীত শিল্পী। মুখে বুলি ফোটার পর থেকে মায়ের সাথেই গুণগুণ করত অলি। তা দেখে একটু-আধটু মেয়েকে তালিম দেওয়া শুরু করেন আলভা। এর পর শহরের একটি অতি সাধারণ মানের রেকর্ডিং স্টুডিওতে নিয়ে গিয়ে অলির কণ্ঠে পরপর কয়েকটি গান রেকর্ড করান। এর আগে দু-একটি গান সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড করা হলেও সেগুলো তেমন সাড়া ফেলেনি।

সম্প্রতি অরিজিৎ সিংয়ের গাওয়া সাংহাই ছবির “জো ভেজি থি দুয়া” গানটি রেকর্ড করে ছাড়া হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। ব্যস ! এতেই বাজিমাৎ। রাতারাতি সুনামির গতিতে ভাইরাল হয়ে যায় অলির কণ্ঠস্বর। স্টুডিওর ফ্লোরে ফড়িংয়ের মতো তিড়িংবিড়িং আর মিষ্টি হাসির ছোঁয়ায় সুরের লহরী ভাসিয়ে দিয়ে আজ লাখো মানুষের ভালবাসায় ভেসে যাচ্ছে অলি।

Tags

Leave a Reply

Back to top button