পোর্টজিন

পরম_ব্রহ্ম – অর্নেশ ভট্টাচার্য্য

Bengal Live পোর্টজিনঃ পোর্টজিন কি? পোর্টজিন একটি অনলাইন ম্যাগাজিন। প্রতি সপ্তাহের রবিবার এটি বেঙ্গল লাইভের (bengallive.in) এর পোর্টজিন বিভাগ থেকে প্রকাশিত হয়।

bengal live portzine bangla golpo

 

‘ব্রহ্ম কেপাহি কেবলম্’ ৷ নামখান শুনিলেই সবাদিগের মনে ও মননে এক আধ্যাত্মিক ভাবের পুনর্জাগরণ ঘটিবে, তাহার সহিত কতিপয় আদ্যাক্ষর ও নিরাকার ব্রহ্মের নামও ভাসিয়া উঠিবে চিন্তনে ৷ তথাপি এইখানে ‘ব্রহ্ম’ শব্দ সংস্কৃত শব্দ ৷ প্রখ্যাত পন্ডিতদিগের মতে হিন্দুধর্মে সমগ্র চরাচরে বাস্তবায়িত একম সৃষ্টিসুলভ নীতি হইল এই ‘ব্রহ্ম’ ৷ সে পরম ব্রহ্ম হউক, নিরাকার ব্রহ্মই হউক আর সাকার হইলে তো নৈব নৈব চ সবাই তাহারই সমুখে দন্ডায়মান হইবে করপুটে আধ্যাত্মিক নবজাগরণের স্ফুরণ ঘটাইতে ৷ উনবিংশ শতাব্দীতে এই আধ্যাত্মিক একতা ছিল বিরাজমান ৷ রাজা রামমোহন রায় যাহাকে পুনর্জাগরণের পুরোধা বা প্রতিষ্ঠাতা বা আদিপুরুষ বলাই বাহুল্য ৷ ‘বেদান্ত চন্দ্রিকা’,, যাহার মুখ্যপাত্র ছিলেন রক্ষণশীল তথা নিগূঢ় প্রধান মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার—যাহার হস্ত ধরিয়া সামাজিক গোঁড়ামি তদানীং চরমে উঠিয়াছিল ৷ সেই তাহাকে প্রতিবাদের প্রতিবাদ; পরিশীলিত, শালীন ভাষায় করিয়া তুলিয়াছিলেন ভাবাচ্ছন্ন, সহকর্মী ছিলেন রামমোহন ভট্টাচার্য্য ৷ রুদ্ধ হইয়াছিল যাবতীয় যুক্তি-তক্ক-গপ্পের শর ৷ এই বেদান্ত গ্রন্থ এক ও অদ্বিতীয় ব্রহ্ম নিষ্ঠা ও একেশ্বরবাদের পথ দেখাইয়া প্রতিষ্ঠা করিয়াছিলেন আত্মীয় সভা যারই পরবর্তী সুনামকরণ ব্রাহ্ম সমাজ ৷

এখানেই থামিয়া যাইনি পরিব্রাজকের পদযাত্রা ৷ কল্পনা করিতে লাগিলেন মানুষ যদি না মানে আর যাহাই হউক তিনি তো সমাজ বিরোধী হইতে পারিবেন না ৷ আজন্ম মানবপন্থী হইয়াও বিরলে ভাবিলেন মানুষ পশ্চাৎএ হটিলে কাদের দরুন তিনি ওষ্ঠে অঙ্গুরী ছোঁয়াবেন? আর কাদেরই বা দরুন গরল পান করিয়া মরিয়া যাইবেন? ইহাতে হ্রাস পাইবে পরিপক্কতা আর বৃদ্ধি পাইবে ওই রক্ষণশীলদের অপক্ক দীর্ঘাঙ্গ তর্জনী ৷ এতৎ সংগ্রাম অপচয় ৷ মনুষ্য আমাকে পছন্দ করিবে না ৷ প্রথম আধুনিক মানুষ তো তাই নিদারুণ তমসাচ্ছন্ন লোকে বসিয়া না থাকিয়া দুরন্তপনায় বিশ্বাসকে অবিশ্বাসে রূপান্তরিত করিতেই উদ্দীপ্ত হইয়াছিলেন ৷ এটা অবিশ্বাসের যুগ — অথচ মানুষকে একটা বাক্য বোঝানো কত সরল, কত কাঙ্ক্ষিত ! শুধু একটি আপ্তবাক্য …. এমন সময় দ্বাররক্ষক এসে রাজন কে ডাক পাড়িলেন এক গেঁয়ো ব্রাহ্মণ আপনার সহিত দেখা করিতে ইচ্ছুক প্রকাশ করিয়াছে ৷ নিটোল, উচ্চাঙ্গ, ধবলকায়, জ্ঞানী মানুষটি একটু বিরক্ত সহযোগে বলিয়া উঠলেন ওসব এক্ষণে হইবে না বলিয়া দাও রাজন কর্মব্যস্ত কিয়ৎক্ষণ বাদে আসিতে ৷

দ্বাররক্ষক রাজন কে যথা আজ্ঞা হুজুর কহিয়া ওইখান হইতে প্রস্থান করিলেন ৷ দ্বাররক্ষক ব্রাহ্মণ কে রাজার ব্যস্ততার সংবাদ প্রেরণ করিতে ব্রাহ্মণ নাছোড়বান্দা হইলেন এবং কহিলেন রাজন সহিত সাক্ষাৎ না করিয়া তিনি ইহ স্থান হইতে গমন করিবেন না তাহাতে তাহার ত্রিসন্ধ্যা হইলেও অপচয় নেই ৷ দ্বাররক্ষক রাজন কে ব্রাহ্মণের হেন বাক্যালাপ বলিতে রাজা কিঞ্চিৎ হতবাক সহিত অভিভূতই হইলেন, ভাবিলেন—অসত্যের অব্দে এমন সত্যবাদী, মিতভাষী ধার্মিক ব্রাহ্মণের কি হেন দর্শন যা তিনি না করে যেতে গরাজি ৷ রাজন ব্রাহ্মণ কে অন্দরে আসিতে বলিলেন ৷ ব্রাহ্মণ,, পরনে ধুতি, নিপাট শাল, ঊর্ধ্বাঙ্গে অজিন ও পদে খড়ম, দেখিয়া উপলব্ধি হইতেছিল—আদিশূরের আমন্ত্রণে সুদূর কান্যকুব্জ থেকে যে কয়জন ব্রাহ্মণ বঙ্গে অভ্যাগমন করিয়াছিলেন তিনি তাহাদের অনির্দিষ্ট কোন একজন ৷ রক্ষী এসে ব্রাহ্মণ কে তাহার আগমন সংবাদ কহিতেই ব্রাহ্মণ যার পর নাই প্রফুল্লে রাজার আলয়ে প্রবেশ করিলেন ৷

ব্রাহ্মণ রাজন কে সম্ভাষণ স্বরে পেণ্যাম থুই কালাপাহাড় রাজন্য ব্রাহ্ম, আমার নাম শ্রীমান স্মরগরল মহামহিম উপাধ্যায় বলে আনত অভিবাদন জানাইতেই ব্রাহ্মণ শিখর দেশে এক দীর্ঘ চৈতন ভাসিয়া উঠিল ৷ রাজন ব্রাহ্মণ কে দর্শনে কিঞ্চিৎ বুদ্ধিধরই ভাবিয়াছিলেন কিন্তু ইহ চৈতন রাজন চৈতন্য কে বিস্মিত করিলো ৷ হেতু; রাজন নিকট স্পষ্টত অবগত যে বাবু-জমিদার, টিকিধারী, পৈতেধারী ব্রাহ্মণ অধ্যুষিত বঙ্গের বক্ষে ঘটমান নিত্যনৈমিত্তিক অনৈতিক কারুকলা ৷ রাজন স্বল্পত হুম না হুম না বদান্যতায় ব্রাহ্মণ কে কহিলেন সে তো বুঝিতেই পারিয়াছি ব্রাহ্মণ আপনি স্মরগরল তা এবার আমিও আপনাকে জানাইতেছি অভিবাদন,, প্রণাম হে ধ্বজাধারী সুলক্ষণ ব্রাহ্মণ পুরুষ ৷ তা কি হেন কর্মে তব আগমন এতৎ স্থানে? তদীয় প্রশ্নবাক্য শ্রবণে ব্রাহ্মণ তাহার ধৌতি চাগিয়ে উত্তরবাক্যে কহিলেন হ্যাঁ রাজন আমি মোর দাঁত কপাটি গুছাইয়া লই অতঃপর মোর প্রস্তাবের শুভারম্ভন্ করিতেছি ৷ হ্যাঁ রাজা আপনার নিকট জ্ঞাত যে বঙ্গে কেমন সতীদাহ, বিধবা বিবাহ বৃদ্ধি পাইতেছে তা আমি একটা কথা বলিতেছি —আমি এই সত্তর বার্ধক্যে পরিণয় সূত্রে আবদ্ধ হইয়াছি ১০—১২ বৎসরের এক পাড়া গাঁয়ের বালিকার সহিত ৷

আমার এখন একটিই চিন্তা হইতেছে মননে যে আমি দেহ রাখিলে আমার দয়িতার কি হইবে? তাই আমি একখান দাসখত করিয়াছি ৷ রাজা কহিলেন কি দাসখত শ্রবণ করি ৷ ব্রাহ্মণ কহিলেন এখন তো মুসলিম শাসন চলিতেছে তা এই মুসলিম শাসনে ‘সতী’ শব্দটা কেমন ‘অসতী’ যেন তা এই রাজ রাজারা আপনাদেরও প্রাচীন সময়ে যে সতীদাহ প্রথা প্রচলন করিয়া আসিয়াছে সেটা…. রাজা ব্রাহ্মণ কে কহিলেন কি বলতে চাইছেন আপনি ঘুরিয়া ফিরিয়া না বলিয়া সদাশয়ে বলুন ৷ ব্রাহ্মণ রাজন কে কহিলেন তিষ্ঠ ক্ষণকাল ! অত উত্তেজিত হইবেন না মোর এখনও ক্ষুৎপীড়িত হই নাই , ক্ষুধা পাইলে আপনাকে কহিব ৷ রাজন বিস্মৃতপ্রায় হয় ৷ ব্রাহ্মণ পুনরপি আরম্ভ করেন আমি মরিলে তাঁহার সহিত মোর কোনরূপ সম্বন্ধস্থাপন যে ওকে সতী হইতে হইবে? আমি অনতিদূর অবলোকন করতেছি যে মানুষ দেহ রাখিলে তাহার নশ্বর দেহ বিলীন হয় হ্যাঁ তথাপি আত্মার টান রহিয়া যায় ৷ রাজা উত্তরবাক্যে কহে —ওহে ব্রাহ্মণ, সাকার আর নিরাকার কি এক? ব্রাহ্মণ কহে নহে, আপনি যেমতি পরম, কদাচ সাকার আবার কদাচিৎ নিরাকার ৷

রাজা আরো কহেন মৃত শরীরে ঘৃতাহুতি দানে কি হইবে স্বল্প তীব্রতা, তা সেই তীব্রতা যদ্যপি একখান সমুদয় মানব কে দেওয়া যাইতে পারে তদানীং অধিক ক্ষয়সাধন হইবে না ৷ তদীয় বাক্য শ্রবণে ব্রাহ্মণ কহিলেন ইত্যাকার কারণবশত মোর দেহাবসান অতঃপর মোর দয়িতা পুনরপি জীবন লাভ করিবে আমি তদানুযায়ী কিছু দস্তখত করিয়াছি ৷ হে কুলশীল রাজন, এক্ষণে আমি মোর দ্বিতীয় প্রশ্নে আগত হই ৷ আজ্ঞা করিবেন ৷ তাহা হইল একেশ্বরবাদ ৷ রাজন কহে আজ্ঞা করা হইল ৷ ব্রাহ্মণ কহে রাজন, একেশ্বরবাদ মানে তো এক ঈশ্বরে বিশ্বাস ৷ রাজন তৎক্ষণাৎ ব্রাহ্মণকে থামিয়া অঙ্গুলি হেলনে গরজি উঠিলেন এবং বললেন ঠিকই বলিয়াছেন তৎসত্ত্বেও বিশ্বাসমাত্র নহে ঈশ্বর একম এব অদ্বিতীয়ম ৷ সতীত্বে যদি এত পূণ্য তদানীং শোকাগ্নি পুণ্য তাহার শতাধিক ৷ একেশ্বরবাদে মানে এক ঈশ্বরে একাত্মতা যদি হইবে তৎপরে পরমাত্মার সহিত মিলনে কেন সতীদাহ প্রথা? তাহা অলীক সত্য বলিয়া, স্বর্গারোহণে নহে বাস্তবের ভূমিতেও তাহা হইতে পারে তাহার হেতু সতীদাহ সম্পূর্ণত অনাবশ্যক ৷

ব্রাহ্মণ একাগ্রে মুগ্ধ ও অগ্নিবচনে কেবলমাত্র একটি কথাই রাজাকে সহাস্যে শুধালেন তাহলে রাজন আপনি একেশ্বরবাদী হইয়াও ইংরেজদের ধর্মান্তরকণের বিরোধিতা করিয়াছিলেন…. রাজন ব্রাহ্মণ প্রশ্নবাক্যে সরল উত্তর দিয়া কহিলেন হ্যাঁ কারণ আমি আস্থা রাখি ধর্ম যাহার যাহার ঈশ্বর সকলের ৷ মানব যেথা সন্ত্রস্ত, ভয়ার্ত সেইখানে কি ধর্মের উপর বাটপারি ঘটানো সংগত? ব্রাহ্মণ কহে যদ্যপি নহে তত্র ‘তোষণ’ শব্দবন্ধ ব্যবহৃত হয় ৷ রাজা বাহ্মণের বাক্য শ্রবণে কহিয়া উঠে ব্রাহ্মণ, ব্যতিক্রমী কত বিপ্রই তো রাজন, উজীর লস্কর, ভুঁইয়া তাহাদের চরণে তৈল মর্দন করিয়া বিরুদ্ধাচরণ কোনো অমূলক কর্মকেও তাহারা মূলক করিয়া মিলায় রাজন সহিত স্বকন্ঠে অতঃপর রাজন যজমানিতে তাহারা অন্যায্য পারিতোষিক গ্রহণ করিতেও বিবেচ্য করে নাই ৷ ব্রাহ্মণ প্রত্যুত্তরে কহে সেইটা মোদের ভীতি রাজন ৷ রাজন কহে কিরূপ ভীতি? ব্রাহ্মণ কহে উচ্ছেদের ৷ রাজা সশব্দে কহে তা বলিয়া ব্রাহ্মণ আপনাকে ভিটেমাটিচাটি করিলেও আপনি সেই নপুংসকের পদলেহন করিয়া বলিবেন মোরে বাঁচিতে দাও আপন বাসভূমে, একবারও শতবজ্রসম হইয়া উত্তর নিক্ষেপ করিবেন না যে তাহাদের নিকট জাতকর্ম যাহাই যাক তাহাও দান করিব; তথাপি মান দানিব নহে, মানীর মান কেউ হানিতে পারিবে নহে ৷

রাজন ব্রাহ্মণ কে কহেন আমিও তাহাই অবলম্বন করিয়াছি, সত্ত্বার সত্ত্বযুদ্ধে ‘ইংরেজদের ধর্মান্তকরণের বিরোধিতা করিয়াছি ৷’ ব্রাহ্মণ পুনঃ কহেন তাহার অন্তিম নিবেদন যদ্যপি প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন রাজন ৷ রাজন বলে কেবল প্রতিক্রিয়া নহে ধ্বজাধারী ব্রাহ্মণ যথেচ্ছ অভিনন্দিতও হইতেছি ৷ কহেন আপনার পরবর্তী প্রশ্ন কিরূপ? ব্রাহ্মণ কহে রাজন আপনি তো মূর্তিপুজায় অবিশ্বাসী, নিদারুণ বিরোধীও ৷ তৎপরে রাজন কি কারণবশত আপনি একেশ্বরবাদী ? রাজন তদীয় বাক্য শ্রবণে প্রসন্ন চিত্তে ব্রাহ্মণ কে কহে আপনি ব্রাহ্মণ মূতিপুজায় বিশ্বাসী তথাপি আমি যে একেশ্বরবাদে বিশ্বাসী তথায় কোনরূপ প্রতীকের আবশ্যকতা হয় না মোরা মূর্তিপুজা করি বা পৌত্তলিকতা করি কেবল অন্তর আদর্শ ও সত্যতা উপলব্ধির হেতু কিন্তু মম একেশ্বরবাদ হইতেছে পরমাত্মা যাহার কোনরূপ সুনির্দিষ্ট প্রতীক বা কায়া অবর্তমান তিনি এপার দরিয়ার নন আবার ওপার দরিয়ারও নন তিনি মাঝ দরিয়ার লোক অর্থাৎ আমাদিগের অন্তরে তাহার অবস্থান ৷ রাজন ব্রাহ্মণ কে কহে আপনারা ব্রাহ্মণ যেমন মূর্তি পুজোতে নৈবেদ্য নিবেদন করেন তদ্রুপ ওই নারীগুলোর হেতু সতী ঘটা হইতে রোধে তাহাদের সুশান্তি নিবেদন করিয়াছি এক্ষেত্রে মম পরমাত্মা বা একঈশ্বর হইতেছে দেশের মানবকল্যাণ যাহাদের হেতু আমি যৎকিঞ্চিত কর্ম করিয়াছি ৷

ব্রাহ্মণ রাজন কে কহেন তথাপি মানুষ তো কায়া বা প্রতীক… রাজন কহে আমি কিন্তু একবারও বলি নাই যে একেশ্বরবাদের কায়া অনুপস্থিত স্থান- কাল-পাত্র ভেদে তার কায়া থাকিতে পারে এই যে আপনি আমারে কিয়ৎক্ষণ পূর্বে কহিয়াছিলেন ‘পরম ব্রহ্ম’ তাহা বলিয়া কি আমার কায়া অবর্তমান, নিশ্চয়ই না পরমাত্মা তদনন্তর জীবাত্মার সৃজন আর আমার মনে হয় না মূর্তি পুজোতে বা মূর্তিতে কোনরূপ পরমাত্মার লক্ষণ বর্তমান সেই হেতু আমি মূর্তিপূজার একনিষ্ঠ বিরোধী ৷ আচ্ছা ব্রাহ্মণ পন্ডিত আপনি তো আমাকে নানানিধি শব্দছকে প্রশ্নবন্দি করিতে চাহিলেন তো আপনি কে তাহা কহিলে আমি গৌরবান্বিত বোধ করি ৷ ব্রাহ্মণ কহেন হে রাজন আপনি যথার্থই পরম অর্থাৎ শ্রেষ্ঠ ব্রহ্ম ৷ উঠিয়া দাঁড়ালেন রাজন ৷ আমি এসেছিলাম এক পুরুষ—ভারত আজ তাঁহাকে বিস্মরণ করিয়াছে—তাঁহার কোটিচন্দ্রস্নিগ্ধ মুখপ্রভা এই দ্বি নশ্বর নয়নে মেলে ধরিবার হেতু, অন্তরের অন্তঃকরণ হইতে আপনি লভিলাম এক্ষণে এক নিবিড় আত্মপ্রসাদ — “অসতো মা সদ্গময়, তমসো মা জ্যোতির্গময় … ৷” রাজন উক্ত উত্তরবাক্যে একযোগে উচ্চারণ করিয়া বলিয়া উঠিলেন তথাস্তু; “আত্মদীপ ভবঃ ৷”

কীভাবে লেখা পাঠাবেন?
নীচে উল্লিখিত হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার কিংবা ইমেল আইডিতে লেখা পাঠাতে পারবেন।
হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার~ 9635459953
ইমেল আইডি~ bengalliveportzine@gmail.com
লেখার সঙ্গে নিজের নাম, ঠিকানা, মোবাইল নম্বর এবং একটি ছবি পাঠানো আবশ্যক।
ভ্রমণ কাহিনীর সঙ্গে নিজের তোলা দুটো ছবি পাঠাতে হবে।

Related News

Leave a Reply

Back to top button